নির্বাচন ঘিরে মোটরসাইকেল ও যানচলাচলে বিধি-নিষেধ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট সময়ে যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
যেসব ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে—
১. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অনুমোদনপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকরা।
২. জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী বহনকারী যান, পাশাপাশি সংবাদপত্র পরিবহনকারী সব ধরনের যানবাহন।
৩. আত্মীয়স্বজনকে আনতে বা পৌঁছে দিতে বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যানবাহন (টিকিট বা উপযুক্ত প্রমাণ দেখাতে হবে) এবং দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান ও সেসব যাত্রীর স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতে ব্যবহৃত যানবাহন।
৪. প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং তার নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি করে ছোট যানবাহন (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি), রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও গাড়িতে স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে।
৫. সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল—নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে।
৬. নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য মোটরসাইকেল।
৭. টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি এবং বিটিআরসি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
৮. জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগরের প্রবেশ ও বহির্গমন সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিলের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
এছাড়া, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে উল্লিখিত যানবাহনের বাইরে অন্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারদের প্রদান করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।









