বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নয়, ইনফেকশন হয়েছে-ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার একাধিক চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি মানিকগঞ্জে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মায়ের স্মরণে দোয়া মাহফিল ১৫ হাজার মানুষের ইফতার ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি মিডিয়ার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অস্টিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় এশিয়ান ইসলামিক কমিউনিটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। ভিয়েনায় ইফতার মাহফিলে এরদোগান পুত্র বিলাল এরদোগান ও এ কে পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট জাফের সিরাকায়া অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার মেয়র ডক্টর মিকায়েল লুডভিগ কর্তৃক মুসলিম নেতৃবৃন্দের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠান সংকট উত্তরণে ট্যাক্স ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী

মাত্র ২৯ ঘণ্টায় তাসনিম জারার নির্বাচনী অনুদান সংগ্রহ প্রায় ৪৭ লাখ টাকা

ডেক্স রিপোর্ট
Update : বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

ঢাকা ৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারার নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে মাত্র ২৯ ঘণ্টায়। তিনি জানিয়েছেন, এ সময়ের মধ্যে প্রায় ৪৭ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ হওয়ায় আপাতত আর কোনো অনুদান গ্রহণ করা হচ্ছে না।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ডা. তাসনিম জারা।

তিনি বলেন, আমাদের ফান্ড রেইজিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪৭ লাখ টাকা আপনারা মাত্র ২৯ ঘণ্টায় পূরণ করে ফেলেছেন। এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরোনো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আর কোনো অনুদান গ্রহণ করছি না।

ডা. তাসনিম জারা বলেন, এখন শুরু হচ্ছে আসল লড়াই। অধিকাংশ প্রার্থী এই নির্বাচনে ১০ থেকে ৫০ কোটি টাকা খরচ করবেন। অনেকে মনে করেন টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায়। কিন্তু তারা একটি বিষয় ভুলে যান, আমাদের সঙ্গে আছেন আপনারা, যারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজের পকেটের টাকাও খরচ করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ঢাকা ৯ আসনে প্রায় পাঁচ লাখ ভোটার রয়েছেন। একজন প্রার্থী হিসেবে দিনে ১২ ঘণ্টা হেঁটে প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে পাঁচ মিনিট করেও কথা বললে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১১০টি পরিবারের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। পুরো নির্বাচনী সময়ে বড়জোর চার হাজার পরিবারের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যাবে। ফলে কয়েক লাখ পরিবারের কাছে বার্তা পৌঁছাবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা টাকার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করতে এসেছি, তাই পেইড কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে না। মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছাতে স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এনসিপির এই সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব বলেন, অনেকেই ঢাকা ৯ এর ভোটার না হলেও তাদের আত্মীয়, বন্ধু, সহকর্মী বা পরিচিত কেউ না কেউ এই এলাকায় থাকেন। পরিচিত মানুষের একটি কথা পোস্টার, ব্যানার বা অর্থ খরচ করে চালানো প্রচারণার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। আমি এই ক্যাম্পেইনে নিয়ম মেনে পোস্টার লাগাইনি। অন্য প্রার্থীরা লাগিয়েছেন। এই অসমতা কাটাতেও আপনার একটা ফোন কল সাহায্য করতে পারে।

এছাড়া আপনাদের কাছে আমার আরও দুইটি সুনির্দিষ্ট আহ্বান আছে:

১. সপ্তাহে মাত্র ৪-৮ ঘণ্টা সময় দিন আমাদের হয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার জন্য। আপনার দুটি কথা একটি পেইড বিলবোর্ডের চেয়ে হাজার গুণ শক্তিশালী হবে। একা একা নয়, আপনি ট্রেইনিং নিয়ে একটি টিমের সঙ্গে এই কাজটি করবেন।

২. পোলিং এজেন্ট হিসেবে কিংবা নির্বাচনের দিন ভোটারদের সহায়তা করতে আমাদের টিমে যোগ দিন। এক্ষেত্রেও আপনি ট্রেনিং নিয়ে একটি গ্রুপের অংশ হয়ে কাজ করবেন। ভোটের দিন প্রতিটি বুথে আমাদের এমন সাহসী মানুষ প্রয়োজন যারা অন্যায়ের সামনে মাথা নত করবেন না।

আমরা এক সঙ্গে প্রমাণ করব, জনগণের সম্মিলিত শক্তির সামনে কোটি কোটি কালো টাকা কতটা অসহায়।

তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি যে, এই ফান্ডের প্রতিটি পয়সার হিসাব হবে স্বচ্ছ। এই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমরা নিচের পদক্ষেপগুলো মেনে চলছি :
১. আমরা কোনো ক্যাশ ডোনেশন গ্রহণ করছি না। প্রতিটি অনুদান একটি মাত্র বিকাশ ও একটি মাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসছে, যার রেকর্ড সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এটি ভবিষ্যতে যাচাই করা যাবে।
২. কোন মাধ্যমে কত টাকা আসছে, তা আমরা আপনাদের নিয়মিত জানাচ্ছি। এই সমস্ত নথিপত্র আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেব, যাতে তারা পূর্ণ স্বচ্ছতা যাচাই করতে পারে।
৩. আমরা যে বিকাশ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনুদান নিচ্ছি, সেখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো লেনদেন করা হয় না। অ্যাকাউন্ট দুইটি নতুন। হিসাব শূন্য থেকে শুরু হয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলোর ব্যালেন্সের ১০০% অর্থই আপনাদের অনুদান। এতে করে অন্য কোনো টাকা এখানে মিশে যাওয়ার বা হিসাব গোলমাল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
৪। সংগৃহীত অর্থ ঠিক কোন কোন খাতে কতটুকু ব্যয় করা হবে, তা স্পষ্ট করে আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে।


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর