বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গাজীপুরে তিন বাহিনী প্রধানের মতবিনিময় বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: মাহদী আমিন আমরা টাকা পাচারকারীদের ঘুম হারাম করে দেব আওয়ামী লীগ–বিএনপি দ্বন্দ্বের বাইরে নতুন সমীকরণ: ক্ষমতার রাজনীতিতে ইসলামী দলগুলোর উত্থান ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে বাংলাদেশের সকল ব্যাংক নির্বাচন ঘিরে মোটরসাইকেল ও যানচলাচলে বিধি-নিষেধ মানিকগঞ্জে রফিক উদ্দিন ভুইয়া হাবু’র নেতৃত্বে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ মানিকগঞ্জে বেতিলা মিতরা ইউনিয়ন কৃষকদল কমিটি নিয়ে বিতর্ক। মানিকগঞ্জে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ঐক্যের আহ্বান নূরতাজ আলম বাহারের আওয়ামীলীগের ভূমিখেকো আরশেদ আলী ভোলপাল্টে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে।

হাদি-হত্যার হোতা শাহীন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি

ডেক্স রিপোর্ট
Update : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যার নেপথ্য পরিকল্পনাকারী হিসেবে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, যার পরিচিতি ‘শাহীন চেয়ারম্যান’ নামে, প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উঠে এসেছে। তদন্তে জানানো হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহের দায়িত্বও তারই ছিল।
এছাড়া চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসাবে আরও কিছু নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার যোগ আছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

কে এই শাহীন?

শাহীন আহমেদ দীর্ঘদিন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তবে তিনি মাফিয়া ডন হিসাবেই বেশি পরিচিত।
শেখ হাসিনা আমলে তিনি ছিলেন সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ডানহাত। চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী হিসাবে তার নাম পুলিশের খাতায় অনেক আগে থেকে তালিকাভুক্ত ছিল।
বহুবিধ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও তিনি ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বরং প্রশাসন তাকে সমীহ করে চলত। এসব প্রভাব প্রতিপত্তি কাজে লাগিয়ে তিনি একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকের মতো শাহীন চেয়ারম্যানও সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যেতে সক্ষম হন। সেখানে পলাতক অবস্থায় তিনি দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকলেও গত ৩-৪ মাস থেকে খোলস ছেড়ে পুরোনো চেহারায় আবির্ভূত হন।
সম্প্রতি তিনি দেশের মধ্যে আওয়ামী লীগের হিটলিস্ট প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন অ্যাপসে মুঠোফোনে দেশে থাকা স্লিপার সেলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল এবং খুদেবার্তার (এসএমএস) সূত্রে হাদি হত্যায় শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

সুত্রঃ যুগান্তর


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর