মানিকগঞ্জের উন্নয়ন ও জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আফরোজা খানম রিতা
মানিকগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নিছক এক নেত্রী নন, বরং সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়ের নাম আফরোজা খানম রিতা। প্রয়াত কিংবদন্তি নেতা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনি বাবার সেবামূলক উত্তরাধিকারকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। রাজনীতি ও সমাজসেবার সমন্বয়ে মানিকগঞ্জের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তার ভূমিকা এখন সর্বজনবিদিত।
স্বাস্থ্যসেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন
আফরোজা খানম রিতার সবচেয়ে বড় অবদান হিসেবে দেখা হয় চিকিৎসা খাতের উন্নয়নকে। তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুন্নু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল আজ কেবল মানিকগঞ্জ নয়, আশপাশের কয়েক জেলার মানুষের আস্থার প্রতীক। বিশেষ করে করোনাকালীন সংকটে এবং গরিব রোগীদের বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করে তিনি মানবিকতার এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন।
শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি
তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষার প্রসারে তার অবদান অনস্বীকার্য। মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিভিন্ন মাদ্রাসায় তার নিয়মিত অনুদান ও সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের পথ দেখাচ্ছে। এছাড়া মুন্নু গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের মাধ্যমে তিনি জেলার হাজার হাজার বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছে।
দুর্যোগে মানবতার ফেরিওয়ালা
বন্যা, নদী ভাঙন কিংবা তীব্র শীত—মানিকগঞ্জের যেকোনো দুর্যোগে প্রথম সাড়াদানকারী হিসেবে দেখা যায় আফরোজা খানম রিতাকে। সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দি মানুষের দ্বারে দ্বারে খাবার ও ওষুধ পৌঁছে দিয়ে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন। তার এই মানবিক কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
নারীর ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব
রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনি নিরলস কাজ করছেন। মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দুইবার দায়িত্ব পালন করে এবং বর্তমানে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক দায়িত্ব পালন করছেন। এবং ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ এ বিএনপি মনোনীত মানিকগঞ্জ-৩ আসন(সদর উপজেলা ও সাটুরিয়া) নির্বাচন করবেন। বাস্তবিকতা হচ্ছে মানিকগঞ্জ জেলার ৩ আসনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন তিনি।
নারীদের রাজপথে ও সাংগঠনিক কাজে উৎসাহিত করছেন। তার বিনয়ী আচরণ ও সবার কথা শোনার মানসিকতা তাকে একজন জনবান্ধব নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, “রিতা আপা কেবল ভোটের রাজনীতির জন্য আমাদের কাছে আসেন না, তিনি সুখ-দুঃখের খোঁজ নিতে আমাদের ঘরে আসেন। বাবার মতো তিনিও মানিকগঞ্জকে নিজের পরিবার মনে করেন।”
আফরোজা খানম রিতা প্রমাণ করেছেন, সততা আর সেবার মানসিকতা থাকলে জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেওয়া সম্ভব। মানিকগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে তার এই কর্মযজ্ঞ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন জেলাবাসী।










