বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার মেয়র ডক্টর মিকায়েল লুডভিগ কর্তৃক মুসলিম নেতৃবৃন্দের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠান সংকট উত্তরণে ট্যাক্স ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী গণভোটের ফলাফল ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ কমিয়ে সংশোধনি প্রকাশ মানবতাবিরোধী অপরাধ: খালাস পেলেন আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাগেরহাটের খান আকরাম ভিয়েনায় ইসলামিক রিলিজিয়াস অথরিটির উদ্দ্যোগে আন্তঃধর্মীয় রাজকীয় ইফতারে- অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভান দেয়ার বেল্লে এ বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন ব্যবসায়ীকে করা হলো গভর্নর রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সুরক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার- আফরোজা খানম রিতা আইনের আওতায় আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলার বিষয়ে কঠোর অবস্থান: মির্জা ফখরুল ইসলাম

মানবতাবিরোধী অপরাধ: খালাস পেলেন আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাগেরহাটের খান আকরাম

ডেক্স রিপোর্ট
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেন আপিলে খালাস পেয়েছেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল হককে মৃত্যুদণ্ড এবং খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর আপিল করেন খান আকরাম।

আপিলের শুনানি শেষে আদালত তাঁর আপিল মঞ্জুর করেন। আদালতে খান আকরামের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইমরান এ সিদ্দিক এবং রাষ্ট্রপক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন।

রায় ঘোষণার পর ইমরান এ সিদ্দিক জানান, আপিল মঞ্জুর হওয়ায় খান আকরাম হোসেন মামলাটি থেকে খালাস পেয়েছেন। তিনি বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে আছেন এবং খালাসের ফলে তাঁর মুক্তিতে আইনগত আর কোনো বাধা নেই।

তবে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১০ জুন এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একই বছরের ২০ জুন আকরামকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আত্মগোপনে থাকা সিরাজুলকে ২১ জুলাই বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা গ্রাম থেকে আটক করা হয়।

মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায়ে সিরাজুলের বিরুদ্ধে আনা ছয়টির মধ্যে পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আকরামের বিরুদ্ধে আনা দুটি অভিযোগের মধ্যে একটি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার বিচারাধীন অবস্থায় চিকিৎসাধীন থেকে মারা গেলে তাঁর নাম আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর