বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নয়, ইনফেকশন হয়েছে-ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার একাধিক চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি মানিকগঞ্জে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মায়ের স্মরণে দোয়া মাহফিল ১৫ হাজার মানুষের ইফতার ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি মিডিয়ার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অস্টিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় এশিয়ান ইসলামিক কমিউনিটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। ভিয়েনায় ইফতার মাহফিলে এরদোগান পুত্র বিলাল এরদোগান ও এ কে পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট জাফের সিরাকায়া অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার মেয়র ডক্টর মিকায়েল লুডভিগ কর্তৃক মুসলিম নেতৃবৃন্দের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠান সংকট উত্তরণে ট্যাক্স ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী

মানিকগঞ্জে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধ ভাবে চলছে ইটভাটা, সক্রিয় হয়ে উঠছে মাটি ব্যবসায়ীরা।

আশরাফুল ইসলাম,মানিকগঞ্জ
Update : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

কৃষি প্রধান মানিকগঞ্জ জেলায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে উঠেছে বিপুল সংখ্যক ইট ভাটা, যার মধ্যে ২১টি চলছে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে। মোট ১২৬টি ইট ভাটার মধ্যে ১০১টির বৈধতা থাকলেও, বাকি ২১টি ইট ভাটা প্রশাসনের নাকের ডগায় এবং অদৃশ্য ক্ষমতার বলে এখনও কীভাবে ইট তৈরি করে কৃষিজমি ধ্বংস করছে- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সচেতন মহল। কৃষিজমি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা” মানিকগঞ্জ জেলার আয়তন অনুসারে ছোট হলেও, ইট ভাটার কারণে এর তিন ফসলি কৃষিজমি দ্রুত ধ্বংস হচ্ছে। সচেতন নাগরিকেরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, এই ধারা চলতে থাকলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে জেলায় কৃষিজমি খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর হয়ে পড়বে। ভাটার কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষণ বেড়ে যাওয়ায় এলাকায় রোগবালাই লেগেই আছে। বিশেষ করে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে গড়ে ওঠা ইট ভাটাগুলোর কারণে শিক্ষার্থীরাই বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে। কোথায় কত অবৈধ ভাটা?জেলা জুড়ে মোট ২১টি অবৈধ ইট ভাটা রয়েছে। উপজেলাভিত্তিক অবৈধ

ভাটার সংখ্যা নিম্নরূপ:উপজেলা অবৈধ ভাটার সংখ্যা”মানিকগঞ্জ সদর ১৩ টি,সিংগাইর ৪টি,সাটুরিয়া ২ টি, হরিরামপুর ২টি,মোট ২১ টি। আশ্চর্যজনকভাবে, প্রশাসনের কেন্দ্রস্থল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলাতেই অবৈধ ভাটার সংখ্যা সর্বাধিক (১৩টি)। ম্যানেজ করেই চলছে অবৈধ ব্যবসা: অভিযোগ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ‘কৃষি জমি ও কৃষক বাঁচাও আন্দোলন কমিটির’ আহবায়ক সরদার আতিকুর রহমান সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, “পরিবেশ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই এই অবৈধ ইট ভাটাগুলো পরিচালিত হচ্ছে। তা না হলে একটি সদর উপজেলায় এতগুলো অবৈধ ইট ভাটা চলতে পারে না।” তিনি অবিলম্বে এদের লাগাম টেনে ধরার দাবি জানান। পরিবেশ অধিদপ্তরের বক্তব্য: অভিযান আসছে অবৈধ ইট ভাটা প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ জেলার উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অবৈধ ২১টি ইট ভাটা বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে প্রধান কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, “প্রয়োজনীয় জনবল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অভাবে এই সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।” তবে তিনি নিশ্চিত করেন, “আগামী সপ্তাহে সবাইকে সাথে নিয়ে অবৈধ ইট ভাটা বন্ধের অভিযান পরিচালনা করব।” কঠিন সময়ের অপেক্ষা সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে যেভাবে পরিবেশ ও কৃষিজমি ধ্বংস করা হচ্ছে, তাতে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মানিকগঞ্জ জেলার জন্য সামনের দিনগুলোতে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। শুধুমাত্র অভিযান পরিচালনার প্রতিশ্রতি নয়, বরং অবিলম্বে এই অবৈধ ইট ভাটাগুলোর কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করে কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষার জোর দাবি উঠেছে।
তাছাড়া ডিসেম্বর মাস থেকে ভুমিখেকো অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা
তৎপর হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ভাবে প্রশাসন মেনেজ ও মাটি ব্যবসায়ীর সিন্ডিক্যাট তৎপতরা চালিয়ে যাচ্ছে। অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধ করা না গেলে অচিরেই ফসলি জমি বিলিন হওয়ার আশংকা রয়েছে। সিংগাইর ঘিওর শিবালয় হরিরামপুর ও সদর উপজেলায় মাটিখেকোরা বিভিন্ন মহলে তদবির চালিয়ে যাচ্ছে।


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর