শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভিয়েনায় ইফতার মাহফিলে এরদোগান পুত্র বিলাল এরদোগান ও এ কে পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট জাফের সিরাকায়া অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার মেয়র ডক্টর মিকায়েল লুডভিগ কর্তৃক মুসলিম নেতৃবৃন্দের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠান সংকট উত্তরণে ট্যাক্স ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী গণভোটের ফলাফল ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ কমিয়ে সংশোধনি প্রকাশ মানবতাবিরোধী অপরাধ: খালাস পেলেন আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাগেরহাটের খান আকরাম ভিয়েনায় ইসলামিক রিলিজিয়াস অথরিটির উদ্দ্যোগে আন্তঃধর্মীয় রাজকীয় ইফতারে- অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভান দেয়ার বেল্লে এ বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ, জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন ব্যবসায়ীকে করা হলো গভর্নর রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে প্রবাসীদের সুরক্ষাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার- আফরোজা খানম রিতা

আওয়ামী লীগ–বিএনপি দ্বন্দ্বের বাইরে নতুন সমীকরণ: ক্ষমতার রাজনীতিতে ইসলামী দলগুলোর উত্থান

স্টাফ রিপোর্টার
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রকৌশলী মোঃ অলিউল্লাহঃ  বর্তমানে বাংলাদেশ রাজনৈতিক দিক দিয়ে অশান্ত ও অস্পষ্ট সময় পার করছে। দীর্ঘ সময় ধরেই দেশটি ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—এই দুই বড় রাজনৈতিক দলের মধ্যকার দ্বৈরথে আটকা ছিল। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো এই দ্বৈরথকে নতুন ভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। এই অবস্থায় অনেকেই মনে করেন যে ইসলামী দলগুলোকে ক্ষমতায় আনা বাংলাদেশে এখন বেশি প্রয়োজন, কারণ তারা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও নৈতিক ভিত্তি এবং ইনসাফের রাজনীতি নিয়ে আসতে পারে।

ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণভাবে সমাজে মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও ধর্মীয় আনুশাসনিক মানকে গুরুত্ব দেয়। তাদের সমর্থকেরা মনে করেন যে, ধর্মীয় নীতির ওপর ভিত্তি করে গঠিত নীতি-আদর্শ সামাজিক অনৈতিকতা কমাতে সাহায্য করবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে স্থিতিশীলতা আনবে। অনেকের বিশ্বাস, এই দলগুলো ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার আলোকে রাজনীতি পরিচালনা করলে দুর্নীতি, নৈতিক অবক্ষয় ও সামাজিক ভ্রান্তির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান তৈরি করবে। ধর্ম আমাদের জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে এবং যদি সেই মূল্যবোধ রাজনীতিতে প্রবেশ করে, তাহলে সমাজ আরও সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়পরায়ণ হতে পারে।

সম্প্রতি নির্বাচনের আগে ছাত্রনেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল এনসিপি জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামী দলের সঙ্গে মোট ১১ টি দল জোট গঠন করেছে, যা রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন দিক যোগ করেছে এবং ইসলামী দলগুলোর প্রভাব অনেকটাই বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করেন যে বর্তমান বড় রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পরও তাদের নৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলো মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে—যেমন চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, অবৈধ শোষণ, ন্যায় বিচার ও সাধারণ মানুষের জীবনের মান উন্নয়ন। ইসলামী দলসমূহ এই সব সমস্যার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলে থাকে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধকেই সমাজ ও রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে চায়।

ইসলামীক দল মানুষের নৈতিকতা, মানবাধিকার, উন্নয়ন, নিরাপত্তা সার্বিক জীবনের মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ইসলামী দলগুলো যদি এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় বাস্তব, ন্যায্য ও মানবিক নীতিতে রাজনীতি করে, তাহলে তাদের অংশগ্রহণ একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। কিন্তু এটি তখনই সম্ভব যদি তারা একটি সমান মানবাধিকার, ধর্মীয় সংহতি সমাজের বহুত্ববাদী মূল্যবোধকে সম্মান করে এবং সকল মানুষের জন্য সুষ্ঠু, ন্যায্য ও উন্নয়নমুখী সমাজ গঠনে কাজ করে।

 


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর