সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, গঠন করা হলো নির্বাচনী ও আপিল বোর্ড। বেগমপাড়ার বাসিন্দা শতাধিক অভিনয়শিল্পী গাজীপুরে এপিড্যাব-এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। EPDAB – এর প্রস্তুতিমূলক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী প্রকৌশলী মাহবুব আহমেদ,তরুণ নেতৃত্বে আধুনিক ও পরিকল্পিত পৌরসভা গড়ার প্রত্যয় পর্দায় উঠে এল ইরান সংঘাতের পুঙ্খানুপুঙ্খ ইতিহাস শ্রীপুরে জমি বিরোধে বাড়িতে হামলা: নারীসহ আহত ২, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ বাস্তবতা বনাম আত্মপ্রবঞ্চনা: পঞ্চাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্থান, বিভ্রান্তি ও ক্ষমতার নাটক গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ ও সমাবেশ ঘোষণা জোনায়েদ সাকির পদত্যাগ, গণসংহতির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নীলু

মানবতাবিরোধী অপরাধ: খালাস পেলেন আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাগেরহাটের খান আকরাম

ডেক্স রিপোর্ট
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাগেরহাটের খান আকরাম হোসেন আপিলে খালাস পেয়েছেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী–এর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল হককে মৃত্যুদণ্ড এবং খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর আপিল করেন খান আকরাম।

আপিলের শুনানি শেষে আদালত তাঁর আপিল মঞ্জুর করেন। আদালতে খান আকরামের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইমরান এ সিদ্দিক এবং রাষ্ট্রপক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন।

রায় ঘোষণার পর ইমরান এ সিদ্দিক জানান, আপিল মঞ্জুর হওয়ায় খান আকরাম হোসেন মামলাটি থেকে খালাস পেয়েছেন। তিনি বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে আছেন এবং খালাসের ফলে তাঁর মুক্তিতে আইনগত আর কোনো বাধা নেই।

তবে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১০ জুন এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। একই বছরের ২০ জুন আকরামকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আত্মগোপনে থাকা সিরাজুলকে ২১ জুলাই বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা গ্রাম থেকে আটক করা হয়।

মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের রায়ে সিরাজুলের বিরুদ্ধে আনা ছয়টির মধ্যে পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আকরামের বিরুদ্ধে আনা দুটি অভিযোগের মধ্যে একটি প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার বিচারাধীন অবস্থায় চিকিৎসাধীন থেকে মারা গেলে তাঁর নাম আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর