শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাস্তবতা বনাম আত্মপ্রবঞ্চনা: পঞ্চাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্থান, বিভ্রান্তি ও ক্ষমতার নাটক গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ ও সমাবেশ ঘোষণা জোনায়েদ সাকির পদত্যাগ, গণসংহতির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নীলু দুপুরের প্রখর রৌদ্রে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পেলেন মাত্র ২০০ টাকার তেল আমার সফর নিয়ে যে সংবাদটি ছড়িয়েছে, তা বিদেশি একটি প্রতিবেদনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা। মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নয়, ইনফেকশন হয়েছে-ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার একাধিক চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি মানিকগঞ্জে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মায়ের স্মরণে দোয়া মাহফিল ১৫ হাজার মানুষের ইফতার ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি মিডিয়ার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহত

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

প্রতিটি অসচ্ছল পরিবারকে স্বচ্ছলতার পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। জনগণের আস্থার মর্যাদা রক্ষা করতে সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

মঙ্গলবার দুপুরের দিকে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার গঠনের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হবে।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনীতিক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচন করতে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংগৃহীত তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে তাদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে

এ কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র পরিবারগুলোকে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর