গ্যাস-সংকট, ভরসা এখন বৈদ্যুতিক চুলায়
প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ—দুটোতেই সংকট দেখা দেওয়ায় ঢাকাজুড়ে বাসিন্দারা প্রতিদিনের রান্না চালাতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন। অনেক এলাকায় গ্যাস সরবরাহ খুব কমে গেছে, কোথাও আবার পুরোপুরি বন্ধ। বাধ্য হয়ে অনেকেই বৈদ্যুতিক চুলা কিংবা বাইরের খাবারের ওপর নির্ভর করছেন। আর দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হলেও এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আর নিম্ন আয়ের মানুষেরা বিকল্প হিসেবে মাটির চুলা বেছে নিচ্ছেন।
ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, গাবতলী, খিলগাঁওসহ আশপাশের এলাকায় হাজারো পরিবার কয়েক দিন ধরে পাইপলাইনের গ্যাস নিয়ে ভোগান্তিতে। গ্যাস পেলেও চাপ কম থাকায় রান্না করা যাচ্ছে না।বেশির ভাগ পাইপলাইন গ্রাহক জানিয়েছেন, দিনে মাত্র এক-দুই ঘণ্টা গ্যাস পাওয়া যায়, তা–ও সাধারণত গভীর রাতে বা ভোরে। গ্যাস না পেলেও মাসিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। আবার চড়া দামেও এলপিজি সিলিন্ডার সহজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের ভাষ্য, রান্নার কাজে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই বেড়ে যাবে।










