শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাস্তবতা বনাম আত্মপ্রবঞ্চনা: পঞ্চাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্থান, বিভ্রান্তি ও ক্ষমতার নাটক গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ ও সমাবেশ ঘোষণা জোনায়েদ সাকির পদত্যাগ, গণসংহতির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নীলু দুপুরের প্রখর রৌদ্রে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পেলেন মাত্র ২০০ টাকার তেল আমার সফর নিয়ে যে সংবাদটি ছড়িয়েছে, তা বিদেশি একটি প্রতিবেদনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা। মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নয়, ইনফেকশন হয়েছে-ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার একাধিক চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি মানিকগঞ্জে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মায়ের স্মরণে দোয়া মাহফিল ১৫ হাজার মানুষের ইফতার ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি মিডিয়ার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহত

হাদি-হত্যার হোতা শাহীন, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি

ডেক্স রিপোর্ট
Update : শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫

গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির নেতা শরিফ ওসমান হাদির হত্যার নেপথ্য পরিকল্পনাকারী হিসেবে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, যার পরিচিতি ‘শাহীন চেয়ারম্যান’ নামে, প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উঠে এসেছে। তদন্তে জানানো হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহের দায়িত্বও তারই ছিল।
এছাড়া চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যানের সহযোগী হিসাবে আরও কিছু নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার যোগ আছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

কে এই শাহীন?

শাহীন আহমেদ দীর্ঘদিন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তবে তিনি মাফিয়া ডন হিসাবেই বেশি পরিচিত।
শেখ হাসিনা আমলে তিনি ছিলেন সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ডানহাত। চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী হিসাবে তার নাম পুলিশের খাতায় অনেক আগে থেকে তালিকাভুক্ত ছিল।
বহুবিধ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও তিনি ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। বরং প্রশাসন তাকে সমীহ করে চলত। এসব প্রভাব প্রতিপত্তি কাজে লাগিয়ে তিনি একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
স্থানীয়রা জানান, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকের মতো শাহীন চেয়ারম্যানও সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যেতে সক্ষম হন। সেখানে পলাতক অবস্থায় তিনি দীর্ঘদিন চুপচাপ থাকলেও গত ৩-৪ মাস থেকে খোলস ছেড়ে পুরোনো চেহারায় আবির্ভূত হন।
সম্প্রতি তিনি দেশের মধ্যে আওয়ামী লীগের হিটলিস্ট প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন অ্যাপসে মুঠোফোনে দেশে থাকা স্লিপার সেলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল এবং খুদেবার্তার (এসএমএস) সূত্রে হাদি হত্যায় শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

সুত্রঃ যুগান্তর


More News Of This Category

ফেজবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর